Spread the love নিজস্ব সংবাদদাতা | কাঁকিনাড়া ভারতীয় রেলের দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতিকে আরও শক্তিশালী করা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকরভাবে সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ডিভিশনের উদ্যোগে কাঁকিনাড়া স্টেশনে একটি পূর্ণাঙ্গ মক ড্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মহড়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল রেলের উদ্ধারকারী দল, NDRF, রাজ্য সরকার এবং অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার মধ্যে সমন্বয় ও উদ্ধার তৎপরতার বাস্তব প্রস্তুতি যাচাই করা। মক ড্রিলে উদ্ধারকারী দলগুলি আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জামের সাহায্যে ক্ষতিগ্রস্ত কোচের কাঠামো কেটে যাত্রীদের কাছে পৌঁছনোর পথ তৈরি এবং তাঁদের নিরাপদে বাইরে বের করে আনার পদ্ধতি প্রদর্শন করে। এই কাজে হাই-ক্যাপাসিটি কাটার, সেপারেটর, প্লাজমা কাটিং টুলস-সহ বিভিন্ন অত্যাধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়। মহড়ায় প্রায় ৩৫ জন NDRF কর্মী, ডিভিশনাল ডিজাস্টার রেসকিউ টিম, ২৩ জন সিভিল ডিফেন্স কর্মী এবং ৮ জন ফায়ার ব্রিগেড কর্মী অংশ নেন। পাশাপাশি ৭ জন চিকিৎসক, ৩৬ জন প্যারামেডিক্যাল কর্মী, সেন্ট জন অ্যাম্বুলেন্স অ্যাসোসিয়েশনের ২৯ জন সদস্য, ৩১ জন স্কাউটস অ্যান্ড গাইডস এবং ৭৫ জন RPF কর্মী সক্রিয়ভাবে উদ্ধার ও ত্রাণকার্যে অংশগ্রহণ করেন। শিয়ালদহ ডিভিশনের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (DRM) রাজীব সাক্সেনা-র নেতৃত্বে এই পূর্ণাঙ্গ মক ড্রিল পরিচালিত হয়। উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র ডিভিশনাল সেফটি অফিসার (Sr. DSO) সুজিত কুমার সিনহা-সহ অন্যান্য ডিভিশনাল আধিকারিকরা। তাঁরা মহড়ার প্রতিটি ধাপ পর্যবেক্ষণ করেন এবং উদ্ধারকারী দলগুলির সমন্বিত কার্যক্রম মূল্যায়ন করেন। মহড়া শেষে DRM রাজীব সাক্সেনা বলেন, “এই ধরনের পূর্ণাঙ্গ মক ড্রিল রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত, সমন্বিত ও কার্যকর উদ্ধার অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পায়।” পূর্ব রেলের এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে সম্ভাব্য রেল দুর্ঘটনা বা দুর্যোগের সময় দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণকার্য পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে রেল কর্তৃপক্ষের আশা। Post navigation সুন্দরবনের ১৫০ গ্রামের জীবন সুরক্ষায় দুর্যোগ মোকাবিলা প্রকল্পের সূচনা জমি–জীবিকা রক্ষার দাবিতে ১ সেপ্টেম্বর পথে আদিবাসী গাঁওতা