Spread the love

সমাজমাধ্যমে একটি ছবি ঘিরে তুমুল চর্চা। বহরমপুরের এক চিকিৎসকের চেম্বারে দেখা গেল জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিংকে। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ছবি ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়। প্রিয় শিল্পীকে চিকিৎসকের চেম্বারে দেখে উদ্বেগ বাড়তে শুরু করেছে অনুরাগীদের মধ্যে। তবে অরিজিৎ সিং বা তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মুর্শিদাবারের জিয়াগঞ্জের বাসিন্দা অরিজিৎ সিং বরাবরই সাধারণ জীবনযাপনের জন্য পরিচিত। মুম্বইয়ের তারকাখচিত জীবন থেকে দূরে, নিজের শহরে স্কুটিতে ঘুরে বেড়ানো, পাড়ার মোড়ে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া—এসবই তাঁর নিত্যদিনের অভ্যাস। তাই চিকিৎসকের চেম্বারেও তিনি ছিলেন একেবারে সাধারণ মানুষের মতোই।

চেম্বারে অরিজিৎকে দেখতে পেয়ে ভক্তরা তাঁকে ঘিরে ধরেন। অনেকেই ছবি তোলার আবদার করেন। কিন্তু বরাবরের মতোই অত্যন্ত হাসিমুখে সকলের সেই অনুরোধ রাখেন শিল্পী। ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যায়, কমলা রঙের পাঞ্জাবি পরে ভক্তদের মাঝেই দাঁড়িয়ে রয়েছেন তিনি। কোথাও নেই বিরক্তির ছাপ, নেই কোনও তারকাসুলভ দূরত্ব।

এই একটি ছবিই এখন নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। জিয়াগঞ্জ ছেড়ে বহরমপুরে চিকিৎসকের কাছে কেন গেলেন অরিজিৎ? তিনি কি কোনও শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন? এমন নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। যদিও এই মুহূর্তে তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছুই জানা যায়নি।

বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেও নিজের শিকড়কে কখনও ভোলেননি অরিজিৎ সিং। তাঁর বিনয়, অমায়িক ব্যবহার এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজে মিশে যাওয়ার স্বভাবই তাঁকে আরও বেশি আপন করে তুলেছে ভক্তদের কাছে। তাই চিকিৎসকের চেম্বারে তোলা এই সাধারণ একটি ছবিও অনুরাগীদের মনে উদ্বেগের পাশাপাশি আরও একবার মনে করিয়ে দিল—মাটির মানুষ অরিজিৎ আজও একই রকম রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি প্লেব্যাক গান থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে অনুরাগীদের চমকে দিয়েছিলেন অরিজিৎ। যদিও তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, গান ছাড়ছেন না; বরং নতুন ধরনের কাজের দিকে মন দেবেন। পরে মুক্তি পায় তাঁর গাওয়া নতুন গান ‘রায়না’, যা শ্রোতাদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

এখন ভক্তদের একটাই প্রার্থনা—প্রিয় শিল্পী যেন সুস্থ থাকেন এবং তাঁর কণ্ঠের জাদুতে আরও বহু বছর সংগীতপ্রেমীদের মুগ্ধ করে যান।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *