Spread the love বাংলা সাহিত্যের অমর স্রষ্টা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবন, সাহিত্য ও প্রকৃতির সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ককে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে ঘাটশিলায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ‘বিভূতি উৎসব ঘাটশিলা ২০২৬’। ‘পথের পাঁচালী’, ‘আরণ্যক’-এর স্রষ্টাকে ঘিরে এই আয়োজনে থাকছে সাহিত্য, সংস্কৃতি, প্রকৃতি ও ইতিহাসের অভিনব মেলবন্ধন। উৎসবের ভাবনা ও কর্মসূচি নিয়ে ১২ আগস্ট কলকাতা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিভূতিভূষণের নাতি তৃণাঙ্কুর বন্দ্যোপাধ্যায়, শিল্পী সরকার, মৃণাল কান্তি বিশ্বাস, তাপস চট্টোপাধ্যায়-সহ উদ্যোক্তারা। আয়োজকদের মূল লক্ষ্য, বিভূতিভূষণের সাহিত্যকে শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ না রেখে তাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঘাটশিলা ও প্রকৃতির সঙ্গে নতুন প্রজন্মের পরিচয় ঘটানো। ‘আরণ্যক’-এর অরণ্য, ‘পথের পাঁচালী’-র মানবিকতা এবং প্রকৃতির প্রতি লেখকের গভীর ভালোবাসাকে কেন্দ্র করেই সাজানো হয়েছে উৎসবের ভাবনা। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি ঘাটশিলার পর্যটন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকেও সামনে আনবে এই উৎসব। বিভূতিভূষণের স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন স্থান ও ঘাটশিলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও তুলে ধরা হবে এই আয়োজনের মাধ্যমে। বিভূতিভূষণের নাতি তৃণাঙ্কুর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে নিজের মাতৃভাষায় ফিরতে হবে, প্রকৃতিকে জানতে হবে। মাতৃভাষায় সাহিত্যের আস্বাদন না পেলে সঠিকভাবে জীবনবোধ ও জীবনশৈলী গড়ে তোলা সম্ভব নয়। যেকোনওভাবেই নতুন প্রজন্মকে ফিরতে হবে সাহিত্যের অঙ্গনে। স্মৃতি থেকে বর্তমান, সাহিত্য থেকে প্রকৃতি—বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নতুন চোখে আবিষ্কারের এই উদ্যোগ তাই নিছক উৎসব নয়, বরং আগামী প্রজন্মের সঙ্গে বাংলা সাহিত্য, প্রকৃতি ও শিকড়ের এক নতুন সংযোগের প্রয়াস। পোস্ট ন্যাভিগেশন সাড়ম্বরে পালিত হল শব্দবিতান প্রকাশনীর অনুষ্ঠান