Spread the love দীর্ঘ উনিশ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে সম্প্রতি কলকাতায় ফিরেছিলেন বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। শহর ছাড়ার পরও তাঁর বঙ্গসফর ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক থামেনি। বিশেষ করে বামপন্থী শিবিরের একাংশের সমালোচনার জবাবে এবার সরব হলেন ‘লজ্জা’-র লেখিকা। সোমবার এক দীর্ঘ ফেসবুক পোস্টে তসলিমা প্রশ্ন তোলেন, তাঁর পশ্চিমবঙ্গে ফেরা নিয়ে বামেদের এত ‘অস্বস্তি’ কেন? ২০০৭ সালে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সরকারের আমলে কলকাতা ছাড়তে বাধ্য হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, উনিশ বছর পর তাঁকে স্বাগত জানিয়েছে বর্তমান বিজেপি সরকার ও কয়েকটি নাগরিক সংগঠন। অথচ বামপন্থীরা তাঁকে ফেরানোর কোনও উদ্যোগ নেয়নি। তসলিমার অভিযোগ, এই রাজনৈতিক বৈপরীত্যই বামেদের একাংশের অস্বস্তির কারণ। তাঁকে ‘বিজেপির লোক’ বা ‘এজেন্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করারও প্রতিবাদ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, কোনও মঞ্চে বিজেপি-ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের উপস্থিতি মানেই তিনি তাঁদের রাজনৈতিক মতাদর্শ গ্রহণ করেছেন—এমন যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়। লেখিকার স্পষ্ট প্রশ্ন, “একই মঞ্চে বসা মানে কি একই মতাদর্শে দীক্ষা নেওয়া?” তাঁর দাবি, কলকাতায় ফিরে তিনি ধর্মনিরপেক্ষতা, নারীর সমানাধিকার, মানববাদ, যুক্তিবাদ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নে নিজের অবস্থান থেকে একচুলও সরেননি। তসলিমার কথায়, তাঁর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা না করে মঞ্চের অতিথিদের রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে তাঁকে বিচার করা আসলে যুক্তি নয়, গোষ্ঠী-রাজনীতি। তাঁর কলকাতায় ফেরা ঘিরে বিতর্ক তাই এখন শুধু ব্যক্তিগত প্রত্যাবর্তনের গল্প নয়—বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিসরেও তা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পোস্ট ন্যাভিগেশন হেলিকপ্টার জরুরি অবতরণ, কেশপুরে ক্ষুদিরামের পৈতৃক ভিটেতে মুখ্যমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন ঋতুপর্ণ ঘোষ: চলে গিয়েও যিনি থেকে গিয়েছেন বাংলা সিনেমার অন্তরে