Spread the love শালডাঙা থেকে আসানসোল ৭০ কিলোমিটার পদযাত্রা, জেলাশাসকের দফতরে গণডেপুটেশন আসানসোল, ২৯ আগস্ট: জল, জঙ্গল, জমি ও জীবিকার অধিকার রক্ষার দাবিতে ফের আন্দোলনের পথে নামছে আদিবাসী গাঁওতা। আগামী ১ সেপ্টেম্বর জামুড়িয়ার শালডাঙা গ্রাম থেকে শুরু হবে প্রায় ৭০ কিলোমিটারের পদযাত্রা। পদযাত্রার শেষে আসানসোলে পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসকের দফতরে গণডেপুটেশন ও স্মারকলিপি জমা দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছে সংগঠনটি। সংগঠনের পক্ষ থেকে ২৭ আগস্ট কলকাতা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়, শিল্প ও কয়লা প্রকল্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত আদিবাসী পরিবারগুলির যথাযথ পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ, জমি হারানো পরিবারগুলির জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা, আদিবাসী ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষায় সরকারি সহায়তা এবং কর্মসংস্থানের দাবিতেই এই আন্দোলন। বিশেষ করে শালডাঙা-সহ আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় জমি সংক্রান্ত নোটিশ এবং উচ্ছেদের আশঙ্কা নিয়ে সংগঠনের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সংগঠনের বক্তব্য, উন্নয়নের নামে আদিবাসীদের উচ্ছেদ করা যাবে না। জল, জঙ্গল, জমি ও জীবিকার অধিকার সুরক্ষিত রেখেই উন্নয়ন করতে হবে। পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলন আদিবাসী গাঁওতার ঘোষিত পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— ১. শিল্প ও কয়লা প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পুনর্বাসন ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ।২. অধিগৃহীত জমির পরিবর্তে উপযুক্ত জমি অথবা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা।৩. আদিবাসী ছাত্রছাত্রীদের জন্য সরকারি শিক্ষাসহায়তা পুনরায় চালু করা।৪. বেকার যুবকদের জন্য স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।৫. বন ও ভূমির অধিকার সুরক্ষিত করা। এছাড়াও আইকিউ সিটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের জন্য জমি হারানো আদিবাসী পরিবারগুলির অন্তত একজন সদস্যকে চাকরি দেওয়ার পুরনো প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবিও এই আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে সংগঠন সূত্রে জানানো হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বরের দীর্ঘ পদযাত্রা ও গণডেপুটেশন ঘিরে পশ্চিম বর্ধমানের শিল্পাঞ্চলে নতুন করে আন্দোলনের আবহ তৈরি হয়েছে। এখন প্রশাসন আদিবাসী গাঁওতার উত্থাপিত দাবিগুলির বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই নজর আন্দোলনকারীদের। পোস্ট ন্যাভিগেশন কাঁকিনাড়া স্টেশনে পূর্ব রেলের পূর্ণাঙ্গ মক ড্রিল, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি আরও জোরদার