Spread the love দমদমে অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলারস ফেডারেশনের বিজয়া সম্মিলনী, বিশ্বম্ভর বসুর বক্তব্যে উঠে এল রেশন ডিলারদের সমস্যা ও বঞ্চনার প্রসঙ্গ নিজস্ব সংবাদদাতা, দমদম: প্রাকৃতিক দুর্যোগ হোক কিংবা করোনার মতো ভয়াবহ মহামারি—প্রতিটি সংকটের মুহূর্তে সাধারণ মানুষের কাছে খাদ্য পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন রেশন ডিলাররা। মানুষের খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার এই গুরুদায়িত্ব পালন করেও তাঁদের নিজেদের আর্থিক সংকট, পেশাগত সমস্যা ও দীর্ঘদিনের দাবিদাওয়া কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে, সেই প্রশ্নই উঠে এল দমদমে আয়োজিত এক বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে। গত ২ নভেম্বর ২০২৬, দমদম পৌরসভার রবীন্দ্রভবনে অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলারস ফেডারেশনের উদ্যোগে এই বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্যদের উপস্থিতিতে রেশন ডিলারদের বিভিন্ন সমস্যা, আর্থিক দুরবস্থা এবং তাঁদের দীর্ঘদিনের দাবিদাওয়া নিয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসুর বক্তব্যে উঠে আসে রেশন ডিলারদের বাস্তব পরিস্থিতির কথা। সাধারণ মানুষের কাছে খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে রেশন ডিলারদের ভূমিকা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই তাঁদের জীবন-জীবিকা সুরক্ষিত রাখার বিষয়টিও সমানভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন বলে আলোচনায় উঠে আসে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনকল্যাণমূলক খাদ্য বণ্টন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত থেকেও বহু রেশন ডিলার ও তাঁদের পরিবার নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের পেশাগত ও আর্থিক সমস্যার সমাধানের দাবি উঠলেও, সেই সমস্যাগুলির বাস্তবসম্মত সমাধানে আরও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন তাঁরা। রেশন ডিলারদের বক্তব্য, তাঁদের দায়িত্ব ও অবদানের যথাযথ স্বীকৃতির পাশাপাশি সরকারি সহযোগিতা নিশ্চিত করাও জরুরি। বিজয়া সম্মিলনী শুধু সৌজন্য বিনিময় বা মিলনমেলার অনুষ্ঠান নয়, বরং সংগঠনের সদস্যদের পারস্পরিক সংযোগ আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি তাঁদের সমস্যা ও দাবিদাওয়া তুলে ধরারও একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে রেশন ডিলারদের পেশাগত ভবিষ্যৎ ও তাঁদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান নিয়ে আলোচনা হয়। প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে অতিমারি—বিভিন্ন কঠিন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের খাদ্য সুরক্ষায় রেশন ডিলারদের অবদান অনস্বীকার্য। তাই যাঁরা প্রতিনিয়ত মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার কাজে যুক্ত, তাঁদের নিজেদের জীবন-জীবিকা সুরক্ষিত রাখার বিষয়টিও গুরুত্ব পাওয়া প্রয়োজন। সরকারের কাছে রেশন ডিলারদের আবেদন, তাঁদের ন্যায্য দাবিদাওয়া ও সমস্যাগুলিকে উপেক্ষা না করে যথাযথ স্বীকৃতি, মর্যাদা এবং বাস্তবসম্মত সমাধানের ব্যবস্থা করা হোক। কারণ, মানুষের খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার দায়িত্ব যাঁদের কাঁধে, তাঁদের নিজেদের সুরক্ষা ও সম্মানের প্রশ্নটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। পোস্ট ন্যাভিগেশন পদ্মশ্রীপ্রাপ্ত বিশিষ্ট স্নায়ুশল্য চিকিৎসক ডঃ অশোক কুমার মহাপাত্র প্রয়াত, বয়স ৭৪