Spread the love

নিজস্ব প্রতিনিধি : শুক্লা গাঙ্গুলী কলকাতা , সিনেমা ও সাহিত্য

কলকাতা শহরের উপকন্ঠে বাগুইহাটিতে দুই হরিহর বন্ধু সব্যসাচী সাহা ও অভয় দেবনাথ বন্ধুত্ত্বের নিবিড় সংযোগ আর বিরাট আশা বুকে নিয়ে একটি ছোট ঘর ভাড়া করে পথ চলা শুরু করেন ২০১১ সালে। সংস্থার নাম টেকনো এক্সপোরেন্ট। এরপর কেটেছে ১৪ টি বছর। আই টি প্রযুক্তির দুনিয়ায় টেকনো পথ চলছে এখন মার্কিন দেশে নাসা থেকে অ্যামাজন, আমেরিকা ছাড়িয়ে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, সুইডেন ও সাউথ আফ্রিকায়। এই বিজয় গতির মূল কান্ডারী সংস্থার চারমূর্তি সি ই ও এবং চিফ এ আই বিজ্ঞানী সব্যসাচী সাহা, প্রতিষ্ঠাতা ও সি ও ও অভয় দেবনাথ, চিফ বিজনেস অফিসার জ্যোয়েন্দ্রিশা ঠাকুর সাহা এবং গ্লোবাল সি টি ও মাইকেল কলিন্স।

সংস্থার খ্যাতি ও সাফল্য এনে দিয়েছে বিশ্ব স্বীকৃতি। এশিয়া ওয়ানের ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং ব্র্যান্ড, টাইমস্ গ্রুপের দেওয়া লিডিংআই টি কোম্পানি মর্যাদা, স্টার্জ দিয়েছে এ আই/ এম এল সলিউশন প্রোভাইডার অফ দা ইয়ার ইত্যাদি এম। সাফল্যের এখন পর্যন্ত চরমতম নিদর্শন আমেরিকার বস্টন চিলড্রেনস হাসপাতাল যুক্ত হয়েছে বঙ্গসন্তান প্রতিষ্ঠিত কলকাতার এই সংস্থার সঙ্গে। এই হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক বিভাগের নেক্সট জেনারেশন এ আই হেলথকেয়ার সলিউশন পৌঁছে দেওয়ার কৃত্তিত্ব অর্জন করে টেকনো এক্সপোরেন্ট গর্বিত। সংস্থার অন্যতম প্রাণপুরুষ সব্যসাচী সাহা বলেন এ আই মানে শুধু প্রযুক্তি নয় এ আই মানে মানুষের জীবন বদলের হাতিয়ার। বিশেষ করে হেল্থ কেয়ারে।

সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয়, ইতিবাচক পর্যালোচনা, রোগী নিরীক্ষণ ও অত্যাধুনিক দ্রুত কর্মদক্ষতা চিকিৎসক, সেবক সেবিকা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের শক্তিশালী আস্থা অর্জনে যা সহায়ক। এছাড়াও সংস্থার পালকে যুক্ত হয়েছে আর এক বড় সম্মান। বটবাডি : সংস্থার নিজস্ব এ আই চ্যাট বট নির্মাণ পরিধি। ওয়েবসাইট বা হোয়াটস অ্যাপে ইন্টেলিজেন্স চ্যাটবট বানানো,শিক্ষা দেওয়া,পরিচালনা করা এবং ছোট বড় যে কোনো ব্যবসায় জন্য এটা সংযুক্ত পর্যায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সহজলভ্য করে তুলেছে। ওয়েব ৩.০ ও ব্লক চেইনেও কোম্পানির কাজ চলছে সমানতালে। রবিবার নিউটাউন এলাকার এক পাঁচতারা হোটেলে আয়োজিত ১৫ বছর পূর্তি উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ভারত সরকারের এ আই সিটি ই-র ইনোভেশন ম্যানেজার ড: হীরকরঞ্জন দাস,কলকাতা অ্যাপেলো হাসপাতালের গাইনোকোলজিস্ট ড: অর্ণব বসাক প্রমুখ। অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা অভয় দেবনাথ বলেন,সততা,কর্মনিষ্ঠা আর স্পষ্ট লক্ষ্য আমাদের ক্রমশ সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিচ্ছে। সংস্থার অন্যতম,জ্যোয়েন্দ্রিশা ঠাকুর সাহা জানান শুরুতে কয়েকজন মহিলা যোগ দিলেও এখন প্রায় সবক্ষেত্রেই মেয়েরা এই সংস্থায় সমান অংশীদার হয়ে জীবনে সফল হচ্ছেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ছিল এমপ্লয়ি অ্যাওয়ার্ড সেরিমনি। প্রায় ৪৫০জন কৃতি কর্মীদের হাতে তুলে দেওয়া হলো শংসাস্মারক।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *