
রাজ্যের নির্দেশ—প্রতিদিন অন্তত একটি করে প্রাইম টাইম শো বাংলা ছবির জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে। সাধারণ সময়ে এই নিয়ম মানতে খুব একটা অসুবিধা হয় না। কিন্তু সমস্যা বাঁধে উৎসবের মরশুমে। সেই সময় একদিকে একের পর এক বড় বাজেটের হিন্দি ছবি, অন্যদিকে একসঙ্গে মুক্তি পায় একগুচ্ছ বাংলা ছবি। ফলে প্রাইম টাইম শো নিয়ে শুরু হয় টানাপোড়েন।
হলমালিকদের একাংশ ‘বাংলা ছবির পাশে দাঁড়ান’ আহ্বানে সাড়া দিয়ে একাধিক প্রেক্ষাগৃহে প্রায় সবক’টি শো বাংলা ছবিকেই দিয়েছেন। অভিযোগ, এতে নাকি চটে গিয়েছেন হিন্দি ছবির পরিবেশকেরা। তাঁদের প্রশ্ন—বাংলায় তাঁদের ছবি কি তবে ‘দুয়োরানি’?
সূত্রের খবর, এই অসন্তোষের জেরেই নাকি এখন উল্টো সুর। বড় বাজেটের হিন্দি ছবি চাইতে গেলে কিছু হলমালিককে নাকি ‘না’ শুনতে হচ্ছে। পরিবেশকদের তরফে স্পষ্ট বার্তা—যখন বাংলা ছবিকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল, এখন কেন এই দরবার?
ফলাফল? উৎসব শেষ, বাংলা ছবির রিলিজ কমেছে, আর হলমালিকদের অবস্থা ‘ভাঁড়ে মা ভবানী’। দর্শক টানতে হিন্দি ব্লকবাস্টার চাই, কিন্তু সেগুলিই এখন অধরা। শিল্পমহলের একাংশের মতে, আবেগ বনাম ব্যবসার এই টানাপোড়েনেই বিপাকে পড়েছে প্রদর্শনী ক্ষেত্র।
এখন প্রশ্ন—এই ঠান্ডা লড়াই কতদিন চলবে? শেষ পর্যন্ত কি আবার আলোচনার টেবিলে ফিরবে দুই পক্ষ, নাকি শো কমার খেসারত গুনতে হবে প্রেক্ষাগৃহগুলোকেই?