Spread the love

শুভঙ্কর সরকার, নিজস্ব সংবাদদাতা, বহরমপুর:
১৯৩৯ সাল অখণ্ড ভারতবর্ষে তখন World War II-এর অভিঘাত, আর সেই সময়েই নেতাজী সুভাসচন্দ্র বসু-কে জাতীয় কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার যেনো একটি গভীর রাজনৈতিক সংকটের ইঙ্গিত দেয়। ঠিক সেইসময় দেশবাসীকে চমকে দিয়ে, কোলকাতার মহাজাতি সদনের – ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে অখণ্ড ভারতের উদ্দেশ্যে ঐক্য, মানবতা ও মুক্তির এক শক্তিশালী বার্তা দেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সুভাষকে পাশে বসিয়েই তিনি বলেছিলেন “জাগ্রত চিত্তকে আহবান করি, যেথা হতে মনুষ্যত্বের সর্বাঙ্গীন মুক্তি – যুগে যুগে উচ্চারিত হতে থাক বাঙালির প্রান বাঙালির মন বাঙালির ঘরে যত ভাই বোন, এক হোক এক হোক এক হোক হে ভগবান, এর সাথে এই কথা যোগ করা হোক – বাংলার বাহু ভারতের বাহুকে বল দিক, বাঙালির বাণী ভারতের বাণীকে সত্য করুক” শক্তি নিহিত এই বিশ্বাসই তিনি তুলে ধরেছিলেন।

পরবর্তীতে শান্তিনিকেতনে বসে – রচিত তাঁর সৃষ্টিতেও একই মুক্তির ডাক প্রতিধ্বনিত হয়, যেনো বাঁধ ভেঙে এগিয়ে চলার সাহস-
বাঁধ ভেঙে দাও, বাঁধ ভেঙে দাও,
বাঁধ ভেঙে দাও। বন্দী প্রাণ মন হোক উধাও॥
শুকনো গাঙে আসুক জীবনের বন্যার উদ্দাম কৌতুক– ভাঙনের জয়গান গাও।।
এই চেতনা শুধু সাহিত্য নয়, স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেরণা নেতাজী ও অসংখ্য স্বাধীনতা সংগ্রামীর মনে নতুন শক্তি সঞ্চার করেছিল।। যা ছিলো- জীর্ন পুরাতন কে সরিয়ে চির নতুনের আহবান।।

By admin

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।