Spread the love বাংলা ভাষার বিপন্নতা রুখতে সোচ্চার শিক্ষাবিদ থেকে বিশিষ্টরা। প্রয়াত লীলা ভট্টাচার্যের স্মৃতির উদ্দেশে নিবেদিত কলকাতার পিকনিক গার্ডেন লীলা সেবা সোসাইটির উদ্যোগে চতুর্থ বর্ষ লীলা স্মৃতি পুরস্কার দেওয়া হল বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ভাষাবিদ অধ্যাপক পবিত্র সরকারকে তাঁর ‘ধ্বনিবিজ্ঞান আই পি এ রোমানিকরণ’ পুস্তকটির জন্য। বইটির প্রকাশক পারুল প্রকাশনী। লীলা সেবা সোসাইটির প্রাক্তন সভাপতি প্রয়াত শচীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্যের স্মৃতি রক্ষার্থে প্রথম বর্ষ শচীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য স্মারক বক্তৃতা দেন অধ্যাপক পবিত্র সরকার। বক্তৃতার বিষয় ছিল ‘ভাষা ভালোবাসা ও সংশয়, দক্ষিণ এশীয় ভাষাগুলির সংকট’। কলকাতার মহাজাতি সদনে এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয় বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী ইন্দ্রানী ভট্টাচার্যের রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে। অধ্যাপক পবিত্র সরকার বলেন, মাতৃভাষাকে গুরুত্ব না দিয়ে ইংরেজি ভাষা গায়ের জোরে ফলানো হচ্ছে। যার ফলে বাংলা ভাষার কদর কমছে। একইভাবে স্কুল পাঠ্যে এমন অদ্ভুত ধরনের বাংলা ব্যবহার করা হচ্ছে যাতে একদিকে যেমন বাংলা ভাষার ঐতিহ্য নষ্ট হচ্ছে তেমনি ছোটবেলা থেকে সঠিক বাংলা শিক্ষা হচ্ছে না। যারা পাঠ্যপুস্তক তৈরি করেন তাঁদের বিষয়টি বিবেচনা করে দেখা উচিত। পিকনিক গার্ডেন লীলা সেবা সোসাইটির কর্ণধার ও বিশিষ্ট রক্তবিশেষজ্ঞ তথা ঔপন্যাসিক ড. সৌম্য ভট্টাচার্য বলেন, বাংলা ভাষার প্রচার ও প্রসার তাঁদের প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। বাঙালি হিসেবে তাঁরা চান বাংলা ভাষাকে আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ করে তুলতে। Post navigation সালটা ১৯৯১, শিক্ষার মাধ্যমে দেশে ছাত্রছাত্রী গড়ার লক্ষ্য নিয়ে বাগুইহাটি অর্জুনপুরে চালু হয়েছিল নর্থ পয়েন্ট সিনিয়র সেকেন্ডারি বোর্ডিং স্কুল। বুদ্ধ পূর্ণিমায় বিশ্বশান্তির বার্তা দিলেন দেশ-বিদেশের বৌদ্ধ ভিক্ষুরা